দেশে ও বিদেশে শিল্প-সমালোচনা ও সৃজনশীল চর্চার প্রসার
- বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে দৃশ্য, পরিবেশনা, সাহিত্য ও ডিজিটাল—সব ধরনের শিল্পের সমালোচক ও শিল্পীদের জন্য একটি বহুমাত্রিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা ও শক্তিশালী করা; এবং ঐতিহাসিক ও সমকালীন শিল্পচর্চায় সমালোচনামূলক সংলাপ, বিশ্লেষণ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা।
- বাংলাদেশের স্থানীয়, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে এবং বিদেশে সংলাপ, শিল্প প্রদর্শনী, উন্মুক্ত আলোচনা, শিল্পমেলা ও সৃজনশীল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।
- শিল্প-সমালোচনা ক্লাব, শিল্পবিষয়ক বইপাঠ চক্র এবং সৃজনশীল উদ্ভাবন কেন্দ্রের প্রসার ঘটানো।
- জাতীয় ও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে স্থানীয় শিল্পীদের পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রচার করা।
সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জ্ঞান উন্নয়ন
পেশাগত জ্ঞান ও গবেষণাভিত্তিক শিল্প-সমালোচনার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে শিল্পী, গবেষক ও শিল্প-সমালোচকদের জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, ফেলোশিপ ও একাডেমিক কর্মসূচিসহ সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন উদ্যোগের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করা।
গবেষণা, ডকুমেন্টেশন ও প্রকাশনা
শিল্প ও শিল্প-সমালোচনা বিষয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা, পরামর্শ ও ডকুমেন্টেশন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা; এবং একাডেমিক পরিসর ও সর্বসাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিবেদন, জার্নাল, সাময়িকী, মনোগ্রাফ ও বই প্রকাশ করা।
শিল্পকর্মের প্রচার, প্রদর্শনী ও বাজার উন্নয়ন
প্রদর্শনী, শিল্পমেলা ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক শিল্পীদের শিল্পকর্মের প্রচার, সংগ্রহ, প্রদর্শন ও টেকসই বাজার সৃষ্টি করা; এবং সৃজনশীল অর্থনীতিতে শিল্প-সমালোচনাকে একটি মূল্যবোধভিত্তিক খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা, সুশাসন ও টেকসইতা
- শিল্প ও স্থানীয় সংস্কৃতির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, মানবপাচার, শিশু সুরক্ষা, জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মতো বিষয়ে কাজ করতে সরকার, বেসরকারি খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও, আইএনজিও, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগ স্থাপন করা।
- বাংলাদেশি ও বিদেশি শিল্পী ও সমালোচকদের মধ্যে বিনিময় কর্মসূচি ও পেশাগত অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি করা।
