সুমাইয়া করিম
← জার্নাল
খণ্ড ১ · সংখ্যা ১ · ২০২৬

পোড়ামাটির মন্দির: মাটিতে আখ্যানের পাঠ

লিখেছেন সুমাইয়া করিম · প্রত্নতত্ত্ববিদ

সুমাইয়া করিম উত্তরবঙ্গের ইট ও পোড়ামাটির স্থাপত্য নিয়ে কাজ করা প্রত্নতত্ত্ববিদ। শতাধিক মন্দিরের সম্মুখভাগ তিনি নথিভুক্ত করেছেন।

কান্তজীউ ও পুঠিয়ার ফলকগুলো একটির পর একটি গল্প বলে। নির্মাতারা ক্রম ও সময় নিয়ে কীভাবে ভেবেছিলেন?

অষ্টাদশ শতকের বাংলার মন্দিরের পোড়ামাটির সম্মুখভাগ হাজার হাজার ছোট ফলকে ঢাকা। দূর থেকে তা একটি নকশা; কাছে গেলে তা হয়ে ওঠে মহাকাব্য, গ্রামজীবন ও রাজদরবারের দৃশ্য।

এই প্রবন্ধ দেখে ফলকগুলো কীভাবে সাজানো। কোনোটি বাঁ থেকে ডানে কমিক্সের মতো এগোয়; কোনোটি দরজা ঘিরে ঘোরে বা স্তম্ভ বেয়ে ওঠে। প্রবন্ধের যুক্তি, হেঁটে চলা দর্শক কীভাবে গল্পের মুখোমুখি হবেন, নির্মাতারা তা ভেবেচিন্তেই ঠিক করেছিলেন।

যে গল্প হেঁটে পড়তে হয়

মন্দিরের দেয়াল এমন এক বই, যা কেবল হেঁটে হেঁটেই পড়া যায়।

এর অনেক ফলক আজ ক্ষয়ে যাচ্ছে বা খুলে নেওয়া হয়েছে। তাই এগুলো পড়া মানে হারিয়ে যাওয়ার আগে এগুলোর একটা দলিল রাখাও।